বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য হলেন যারা

Image may contain: 5 people, people standing

মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের বেসরকারী ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- ১ নম্বর ওয়ার্ডে (বাগোয়ান ইউনিয়ন) শাহিন উদ্দিন ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট , ২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়ন) আজিমুল বারী মুকুল পেছেছেন ১৭ ভোট। তার
নিকট তম প্রার্থী রফিকুল ইসলাম গাইন পেয়েছেন ৯ ভোট, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (মেহেরপুর পৌরসভা) হাসানুল হক সবুজ
পেয়েছেন ৮ ভোট। তার নিকট তম প্রার্থী মিজানুজ্জামান অপু ৭ ভোট, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (কুতুবপুর ইউনিয়ন) মিরন আহমেদ ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী ইদ্রিস আলী মাষ্টার ৪ ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে (বুড়িপোতা ইউনিয়ন) আব্দুল কুদ্দুস ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আবুল হাসেম পেয়েছেন ৩ ভোট , ৭ নম্বর ওয়ার্ডে (পিরোজপুর ইউনিয়ন) রফিকুল ইসলাম ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আরিফুল
ইসলাম পেয়েছেন ৫ ভোট, ৮ নম্বর ওয়ার্ড (আমঝুপি ইউনিয়নে) খাজা মঈনুদ্দিন লিটন ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুস সামাদ ৩ ভোট, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে (ধানখোলা ইউনিয়ন) নির্বাচিত হয়েছেন শওকত আলী ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট, ১০ নম্বরওয়ার্ডে (গাংনী পৌরসভা ও রাইপুর ইউনিয়ন) মজিরুল ইসলাম ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আনারুল ইসলাম পেয়েছেন ২ ভোট , ১২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়নে ) মোহাম্মদ আলী ৯ ভোট পেযে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী নাজমুল হুদা বিশ্বাস পেয়েছেন ৫ ভোট । ১৩নম্বর ওয়ার্ডে (কাজীপুর ইউনিয়ন) মুনছুর আলী ৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ ভোট, ১৪নম্বর (ষোলটাকা ও বামন্দি ইউনিয়ন) আইয়ুব আলী ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৮ভোট , ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে (মটমুড়া ইউনিয়ন) তোফাজ্জেল হোসেন ৭ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার
নিকট তম প্রার্থী মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৫ ভোট এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ( আমদহ ও মহাজনপুর ইউনিয়নে) আসলাম হোসেন শিলু এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ( কাথুলী ও সাহারবাটি ইউনিয়নে) তৌহিদ মুর্শেদ বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সংরক্ষিত নারী সদস্য হলেন যারা


মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে যারা বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- মেহের-১ আসনে (১,২ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে) নারগিস আরা ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আফরোজা খাতুন পেয়েছেন ২৪ ভোট, মেহের-২ আসনে (৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে) সামিউন বাশিরা পলি ২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী রেহেনা খাতুন পেয়েছেন ১৮ ভোট, মেহের-৩ আসনে (৭,৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে) শামিম আরা
বিশ্বাস হিরা ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী শাহেরা খাতুন কোন ভোট পাননি, মেহের-৪ আসনে
(৯,১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডে) শাহানা ইসলাম শান্তনা ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ফারহানা ইয়াসমিন পেয়েছেন ১৭ ভোট এবং মেহের-৫ আসনে (১৩,১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে) সংরক্ষিত সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন গুলশান আরা ৩২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী রাজিয়া খাতুন ১৯ ভোট

গোলাম রসুল বেসরকারি ফলাফলে মেহেরপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

Image may contain: 4 people

২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন গোলাম রসুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দিপ্রার্থী মিয়াজান আলী। তিনি পেয়েছেন ৮৪ ভোট। এছাড়া অপর দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস পেয়েছেন ৫৫ ভোট এবং সাহিদুজ্জামান খোকন পেয়েছেন ২১ ভোট। ধানখোলা ইউনিয়নে ১৩টি ভোটের মধ্যে মিয়াজান আলী ১০ ভোট, গোলাম রসুল ১ ভোট, সাহিদুজ্জামান খোকন, ১ ভোট এবং জিয়া উদ্দিন বিশ্বাস ১টি করে ভোট পেয়েছেন। সাহারবাটি ও কাথুলী ইউনিয়নে মিয়াজান আলী ৯ভোট, গোলাম রসুল ৯ ভোট, জিয়া ৩ ভোট, খোকন ৩ ভোট পেয়েছেন। ষোলটাকা ইউনিয়নে গোলাম রসুল ১০ ভোট,মিয়াজান ৩ ভোট, জিয়া উদ্দিন ৪ ভোট,
সাহিদুজ্জামান খোকন ১০ ভোট । আমঝুপিতে মিয়াজান ৪ ভোট, গোলাম ৩ ভোট, জিয়া ৬ ভোট পেয়েছেন। মেহেরপুর পৌরসভা উপজেলা পরিষদ মিয়াজান আলী ৯, গোলাম রসুল ৫, জিয়া বিশ্বাস ২, খোকন ০ ভোট পেয়েছেন। দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়নে গোলাম রসুল ১৫,মিয়াজান আলী ৪, জিয়া ৮, খোকন ০ ভোট পেয়েছেন। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে (মটমুড়া ইউনিয়নে) গোলাম রসুল, মিয়াজান ৭, খোকন ২, জিয়া ০ ভোট পেয়েছেন। বেসরকারী ফলাফলসূত্রে পাওয়া খবর।

জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৬' বিজয়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম রসুল মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।

Image may contain: 14 people, people smiling, people standing
জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৬' বিজয়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম রসুল ও ২নং ওয়ার্ড (দারিয়াপুর ও মোনাখালি ইউনিয়ন) সদস্য বিজয়ী আজিমুল বারী মুকুল সহ অন্যান্য বিজয়ী প্রার্থীরা মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের কিছু স্থির চিত্র....
Image may contain: 18 people, people standing and outdoor
Image may contain: 6 people, people smiling, people standing, beard and outdoor

মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতারণ।

মুজিবনগরে মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতারন করা হয়েছে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এর আয়াজনে মোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহাফুজুর রহমান রিটন, বিশেষ অতিথি মুজিবনগর থানা ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান চাঁদু ও জেলা সদস্য মাহাবুব হাসান ডালিম। বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম, দুল্লপ হোসেন, মফিজুর রহমান প্রমুখ। শেষে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন মোনাখালী একাদশকে ১টি বড় ছাগল ও রানার্সআপ রাধাকান্ত একাদশকে
১টি ছোট ছাগল পুরস্কার প্রদান করেন। শেষে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক পরিচালনা করেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে পরিচালক আব্দুল খালেক ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন।
Image may contain: 15 people, people standing

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি’র পুস্পমাল্য অর্পন।

Image may contain: 1 person, standing and outdoor
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল ইসলাম খান নিখিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পন করেছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে তিনি মেহেরপুর জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মুবিজনগর স্মৃতিসৌধে পুস্মপাল্য অর্পন করেন। এসময় জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহাফুজুর রহমার রিটন, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, সদস্য মাহাবুব হাসান ডালিম, মালেক হোসেন মোহন, মুজিবনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান চাদুসহ জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে
উপস্থিত ছিলেন।

মুজিবনগর খ্রিস্টান পল্লীতে বড়দিন উদযাপন।

Image may contain: one or more people and indoor
ঈশ্বরের দয়া প্রর্থণা ও সন্ত্রাস মুক্ত দেশ গড়ার জন্য গীর্জায় গীর্জায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা আর নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মুজিবনগর পালিত হয়েছে খৃষ্টীয় সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন। আজ প্রথম প্রহরে উপজেলার ভবরপাড়া, বল্লভপুর, রতনপুর, তারানগর,নাজিরকোনা ও জয়পুরসহ বিভিন্ন গির্জায় প্রার্থনা করা হয়েছে। প্রার্থনায় বিশ্ব শান্তি কামনা করেছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়। বাড়ী ও রাস্তা আলোক মনোরম সাজে সজ্জিত করা হয়েছিল গির্জাগুলো। ধর্মীয় আচার রীতি পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসবে মেতে উঠেছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বড় দিন উপলক্ষে গতকাল থেকে মুজিনগরের ভবর পাড়া ও বল্লভপুর শুরু হয়েছে সপ্তাহ ব্যাপি মেলা।
Image may contain: 8 people, people standing and crowdImage may contain: 6 people, people standing and indoor

শুভ বড়দিন উপলক্ষে মুজিবনগরে আনন্দ মেলার উদ্বোধন।



eow`b Dcj‡¶ gywRebM‡i Lªxwóq Avb›` ‡gjv D‡Øvab

gywRebMi  cÖwZwbwa(26-12-16)t eow`b Dcj‡¶ gkvj †R¡‡j gywRebM‡ii ejøecyi ¯‹zjgv‡V 6 w`be¨vcx  Lªxwóq Avb›` ‡gjvi D‡Øvab Kiv n‡q‡Q| MZKvj ‡mvgevi `ycy‡i ‡g‡nicyi-1 Avm‡bi msm` m`m¨ I ‡Rjv AvIqvgxjx‡Mi mfvcwZ dinv` ‡nv‡mb cÖavb AwZw_ wn‡m‡e Dcw¯’Z †_‡K G ‡gjvi D‡Øvab K‡ib|
ejøecyi wWbvi Wxb MxRv©i cÖavb cy‡ivwn` ‡ifv wewjqg mi`v‡ii  mfvcwZ‡Z¡ Abyôv‡b we‡kl AwZw_ wnmv‡e Dcw¯’Z wQ‡jb ev‡Mvqvb BDwc ‡Pqvig¨vb Avq~&e ‡nv‡mb, gywRebMi _vbvi Gm AvB Bqvwgb Avjx, ev‡Mvqvb BDwbqb AvIqvgxjx‡Mi mvavib m¤úv`K bRiæj Bmjvg, Pv‡P©I K¨v‡UwLó wg.mgi wek¦vm, cvjK wg. †WfxWivq, ev‡Mvqvb BDwc m`m¨ ksKi wek¦vm c«gyL|
D‡Øvabx Abyôv‡b mvs¯‹…wZ‡Ki Av‡qvRb Kiv nq| ‡`kvZ¡‡evaK Mv‡b †g‡qiv b…Z¨ cwi‡ekb K‡ib| Abyôvb †k‡l msm` m`m¨ ejøecy‡i e„×v AvkÖg I nvmcvZvj Ny‡i Ny‡i cwi`k©b K‡ib|  Gi Av‡M Abyôv‡bi ïi‡Z RvZxq msMx‡Zi my‡i my‡i RvZxq cZvKv †Zvjv nq Ges AwZw_‡`i dyj w`‡q eib K‡i ‡bIqv nq|
Abyôv‡bi mvwe©K mÂvjbvq wQ‡jb Kzwóqv Wv‡qvwmm cÖMÖvg mgš^qKix ‡K¬v‡g›U Aiæb gÛj

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

বড়দিন : দয়ার বছরকে আগমন জানাতে প্রস্তুত খ্রীস্টিয় ধর্মাবলম্বীরা

No automatic alt text available.
আজ ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন। খ্রীষ্টিয় ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। দিনটিকে ঘিরে গীর্জাগুলোকে সাজানো হচ্ছে নানা উপকরণ দিয়ে। ঈশ্বরের দয়া প্রর্থণা ও সন্ত্রাস মুক্ত দেশ গড়ার জন্য গীর্জায় গীর্জায় প্রার্থণা করবেন তারা। মেহেরপুরে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে দিনটিকে উদ্যাপন করবেন বলে মনে করছেন পুরোহিতরা। ২৫ ডিসেম্বর গরিবের গোয়াল ঘরে মা মরিয়মের গর্ভে জন্ম নেয় ঈশা মসিহ। তাঁর আগমনের এ দিনটি নানা উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকেন খ্রিষ্টীয় ধর্মাবলম্বীরা। মেহেরপুরের মুজিবনগর ও গাংনীর বিভিন্ন খ্রীষ্টান পল্লীতে ১ডিসেম্বর থেকে তোলা হয়েছে তারা ও বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে গোশালা। রাস্তায় রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে তোরন। এছাড়াও যুবক যুবতিরা কীর্তনের মধ্য দিয়ে খ্রীষ্টের বাণী সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। ২৫ ডিসেম্বর রাত থেকে গির্জায় গির্জায় প্রার্থণার মাধ্যমে বড় দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এছাড়াও আগামী বছরিেটকে দয়ার বছর হিসেবে ঘোষণা করেছেন পোপ। সেই লক্ষে ইশ্বরের কাছে দয়া প্রার্থনা ও সুখি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষে ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবেন তারা। এছাড়াও আলোচনা করা হবে আধ্যাতিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর। দিনটিকে ঘিরে খ্রীষ্টীয় ধর্মাবলম্বীরা গির্জায় গির্জায় প্রার্থণাসহ বিভিন্ন স্থানে নির্মিত গোশালাগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রার্থণা করবেন। বিগত দিনের সকল ভেদাভেদ ভূলে একে
অপরের সাথে মিশে তৈরি করবেন ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধন। সবাই আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন বলে জানালেন দিপক মন্ডল। লিজা সরকার বলেন, উৎসব উপলক্ষে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা করা, সকলে মিলে মেলায় বেড়াতে যাওয়াসহ আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন তারা। ইম্মানুয়েল ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ডোমেনিক জানান, আগামী বছরটি পোপ দয়ার বছর হিসেবে ঘোষণা করছেন। ইশ্বরের দয়া প্রাপ্তির জন্য প্রার্থণা করবেন তারা। রাত ১২ টা থেকে ইশ্বরের কাছে প্রার্থণার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের কার্যক্রম। এছাড়াও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা হবে। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, বড়দিনকে ঘিরে খ্রীস্টিয়ধর্মীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। সার্বক্ষনিত তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সাদা পোশাকেও পুলিশ কাজ করবে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

মেহেরপুর জেলা পরিষদে নির্বাচিত হলে জীবনের সবটুকু সময় জনগনের সেবা করে যাব::,, জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস


Image may contain: 1 person, eyeglasses and closeup
রেজাউল করিম রেজাঃ ১৯৭১ সালে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানীত
হয়ে এবং তারই আহব্বানে মহান মুক্তিযুেদ্ধ
পাকানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ
করে দেশ স্বাধীন করেছি। তার পর যতটুকু সময়
পেয়েছি সাধারন মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন
ভাবে সেবা করে চলেছি। দেশের জন্য ও দেশের
মানুষের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি তা মুল্যায়নের
সময় এসেছে। জেলা বাসীর দোয়া আর পুর্নাঙ্গ
সমর্থন নিয়ে মেহেরপুর জেলা পরিষদের
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করছি।
বিচারের দায়ভার জনগনের বিবেকের কাছে ছেড়ে
দিলাম। সুযোগ দিলে মেহেরপুর জেলাকে একটি
আত্মনির্ভরশীল ও মডেল জেলা হিসাবে গড়ে
তুলবো। এবং এ উন্নয়ন অব্যহত রাখবো। আপনাদের
ভোট বুঝে-শুনে দেবেন। আমি শুধু ভোটের জন্য নয়,
এলাকার সন্তান হিসাবে আপনাদের সামনে হাজির
হয়েছি।
মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
ও মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় কালে মেহেরপুর
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও
বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস এসব কথা
বলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস
গ্রামের মৃত-আকছেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি
বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বারের নির্বাচিত
চেয়ারম্যান।
২০০৩ সাল থেকে অদ্যবধি মুজিবনগর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে তিনি দাায়িত্ব
পালন করে আসছেন। আসন্ন ২৮ ডিসেম্বর মেহেরপুর
জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি
তার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে চশমা মার্কা
প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন।
প্রতিনিয়ত জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে
ভোটারদের সাথে মত বিনিময় করছেন এবং দোয়া
চাইছেন। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
হিসাবে নির্বাচিত হলে মেহেরপুরে উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন ।