মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সীমান্ত থেকে ৫৭
হাজার ৫শত ৮৮ পিচ ভারতীয় যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেনেগ্রা উদ্ধার করেছে।জয়পুর আন্তর্জাতিক
সীমানা পিলার ৯৭ নম্বর এলাকা থেকে ৬ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)আনন্দবাস
কোম্পানি কমান্ডার অভিযানে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেনেগ্রা উদ্ধার করা হয়। বিজিবি আনন্দবাস ৬ বর্ডার
গার্ড কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল ছালামের সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বেলা ৩টার সময়
চোরাচালানিরা ভারত থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেনেগ্রা সংগ্রহ করে সীমান্ত এলাকায়
গচ্ছিত করে। তিনি বলেন, ভারত থেকে নিয়ে এসে ওই ট্যাবলেট গুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে
পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চোরকারবারিরা সেখানে রেখে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন
তিনি। তবে এ ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাবিলদার সফিকুলের
নেতৃত্বে সীমান্তের জয়পুর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৭ নম্বর মাঠে অভিযান চালানো
হয়।এ সময় পরিতাক্ত অবস্থায় ভারতীয় যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেনেগ্রা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের মূল্য ৫৭ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা
বলে ধারণা করছে বিজিবি।
সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৭
মুজিবনগরের সরকারি শিশু পরিবারে শিশুদের হাতে একসেট বাদ্যযন্ত্র তুলে দেন,মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন।
মুজিবনগর প্রতিনিধি ঃ মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে গত রবিবার দুপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগরের সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের সাথে মত বিনিময় শেষে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এসময় তার সাথে ছিলেন স্ত্রী সৈয়দা মোনালিসা, মুজিবনগর থানা ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, মুজিবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আলিফ হোসেন, মেহেরপুর বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম খোকন প্রমুখ। এর আগে এমপি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন শিশু পরিবারে পৌঁছালে তত্বাবধায়ক তৌফিকুর রহমানের নেতৃত্বে শিশুরা তাকে অভিনন্দন জানায়। পরে তিনি তার স্ত্রী সৈয়দা মোনালিসার সৌজন্যে শিশুদের হাতে একসেট বাদ্যযন্ত্র তুলে দেন।
মেহেরপুর সদর থেকে শুরু করে মুজিবনগর হয়ে দর্শনা পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মান "" প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার রেলপথ কবে হবে?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা দেওয়ার প্রায় ৬ বছর হয়ে গেলেও এখনও মেহেরপুর সদর থেকে শুরু করে মুজিবনগর হয়ে দর্শনা পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মান এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। রেলপথ নির্মাণের প্রাথমিক সমীক্ষা শেষ হলেও সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ না হওয়ায় গতি পাচ্ছে না প্রকল্পটি। ২০১১ সালের ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মুজিবনগরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেহেরপুর সদর থেকে মুজিবনগর হয়ে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে রেল মন্ত্রনলয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রেলপথ বিভাগের একটি টেকনিক্যাল টিম সরেজমিন মেহেরপুরে এসে প্রধানমন্ত্রী-ঘোষিত উল্লিখিত নতুন ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণের প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ শেষ করে গেছে প্রায় তিন বছর আগে। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, প্রস্তুত করা প্রাথমিক সমীক্ষা রিপোর্টে প্রস্তাবিত এই ৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথটিতে মোট ছয়টি রেলস্টেশন ও তিনটি ব্রিজ নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত রেলস্টেশনগুলো হলো, মেহেরপুর জেলার সদর, মোনাখালি, মুজিবনগর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদর, হাতিভাঙ্গা ও চন্দ্রবাস। সমীক্ষা রিপোর্টের ওই প্রস্তাবনায় মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বল্লভপুর পয়েন্ট, চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলা পয়েন্ট ও ভৈরব নদের ওপর দামুড়হুদা উপজেলার কানাইডাঙ্গাতে ভিন্ন ভিন্ন তিনটি ব্রিজ নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী মেহেরপুর সদর থেকে মুজিবনগর উপজেলা স্টেশন হয়ে গাইদঘাট ও জয়রামপুর স্টেশন থেকে দুটি নতুন লাইন মিলিত হবে যা দামুড়হুদা হয়ে দর্শনা স্টেশনে পৌছাবে। সমীক্ষা রিপোর্টের ওই প্রস্তাবনায় ছয়টি স্টেশনসহ ৫৩ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের জন্য মেহেরপুর সদর, মুজিননগর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মোট ৫৪০ একর কৃষি জমি অধিগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। খোজ নিয়ে জানাগেছে, রেলপথ বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের টেকনিক্যাল টিমের সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ শেষ না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী-প্রতিশ্রুতির গুরুত্বপূর্ন এই রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি গতি পাচ্ছে না। মেহেরপুরের সিনিয়র সাংবাদিক তুহিন আরন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করে বলেন, ঐতিহাসিক মুজিবনগর কেন্দ্রীক মেহেরপুর একটি সুবিধা বঞ্চিত জেলা। জেলার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য রেলপথের বাস্তবায়ন করা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যায়ল ও স্থলবন্দরের দাবি করেন। তিনি বলেন, রেল সংযোগ চালু হলে মেহেরপুরের মুজিবনগরে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যাবে। যা মেহেরপুরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। জাগো মেহেরপুরের মুখোপাত্র শোয়েব রহমান বলেন, মেহেরপুর কৃষি নির্ভর এলাকা। মেহেরপুরের সবজি সারা দেশের চাহিদার অনকেটাই পূরন করে। কিন্তু শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যাবস্থার কারনে অনেক সময় এলাকার কৃষকরা তাদের উদপাদিত সবজির ন্যায মূল্য পাইনা। তাই তিনি দ্রুত রেল পথের বাস্তবায়ন দাবি করেন। মেহেরপুরের ইডেন কলেজে পুড়ুয়া শিক্ষার্থী রেজওয়ানা ইসলাম দিসা বলেন, মেহেরপুরে রেলপথের বাস্তবায়ন হলে নিশ্চিন্তে খুব সহজে ও কম খরচে আমরা যাতায়াত করতে পারব। তিনি বলেন এখন মেহেরপুরে ২০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত রয়েছে। রেলপথ হলে সকল শিক্ষার্থীরাই উপকার হবে। তাই তিনিও দ্রুত রেলপথের বাস্তবায়ন চান। এই বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রানালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) শশী কুমার সিংহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটির বিষয়ে আমরা সজাগ আছি। এটি একটি বৃহৎ প্রকল্প।
বর্তমানে প্লানিং চলছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য রেল বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের একটি টেকনিক্যাল টিম খুব শিগগিরই মেহেরপুরে যাবে। সাম্ভব্যতা যাচাইয়ের রিপোর্ট পাওয়া গেলে, সেটি চুড়ান্ত অনুমোদনের পর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এবিষয়ে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন বলেন, রেলপথ নির্মানের জন্য সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ও রেল মন্ত্রনালয়ের উচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। আশা করি এই সরকারের বাকি সময়ের মধ্যেই রেলপথের বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
বর্তমানে প্লানিং চলছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য রেল বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের একটি টেকনিক্যাল টিম খুব শিগগিরই মেহেরপুরে যাবে। সাম্ভব্যতা যাচাইয়ের রিপোর্ট পাওয়া গেলে, সেটি চুড়ান্ত অনুমোদনের পর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এবিষয়ে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন বলেন, রেলপথ নির্মানের জন্য সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ও রেল মন্ত্রনালয়ের উচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। আশা করি এই সরকারের বাকি সময়ের মধ্যেই রেলপথের বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
শনিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৭
মুজিবনগরে বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, মেহেরপুর জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।
‡g‡nicyi
†Rjvi HwZnvwmK gywRebMi Av¤ªKvb‡b evsjv‡`k miKvwi Kg©Pvix mgš^q cwil`, †g‡nicyi
†Rjv kvLvi wÎ-evwl©K m‡¤§jb AbywôZ n‡q‡Q|
MZKvj ïµevi ‡ejv mv‡o 11Uvi w`‡K †Rjvi gywRebMi
Dc‡Rjvi gywRebMi Kg‡cø· ‡kL nvwmbv PZ¡‡i IB m‡¤§jb AbywôZ nq| cÖavb AwZw_ wQ‡jb
mgš^q cwil‡`i †K›`ªxq KwgwUi gnvmwPe †bvgvby¾vgvb Avj AvRv`| mfvcwZZ¡ K‡ib ‡g‡nicyi
†Rjv kvLvi mfvcwZ bwKg DwÏb| we‡kl AwZw_ wQ‡jb †K›`ªxq KwgwUi mnmfvcwZ dvjRvi
ingvb, hyMœm¤úv`K kvnveyÏxb, mvsMVwbK mwPe ZvRyj Bmjvg| ¯^vMZ e³e¨ iv‡Lb
†g‡nicyi †Rjv kvLvi mvavib m¤úv`K BDbyQ Avjx| e³e¨ iv‡Lb Mvsbx Dc‡Rjv mvavib
m¤úv`K AvKivg †nv‡mb, wS‡bv`vn †Rjv mfvcwZ BgvRDÏxb, mvavib m¤úv`K kwn`yj Bmjvg
cÖgyL| †k‡l bwKg DÏx†K mfvcwZ, AvËve‡K mvavib m¤úv`K, Aveyj Kvjvg‡K hyMœ m¤úv`K
I Avnmvb nvwee‡K mvsMVwbK m¤úv`K wbe©vwPZ K‡i 51 m`m¨ wewkô KwgwU MVb Kiv nqবৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৭
মুজিবনগরে ৮ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী কামাল গ্রেফতার।
মেহেরপুরের মুজিবনগর থেকে ৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ কামাল হোসেন (৩৫) নামের একমাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। গেল রাতে আনন্দবাস কবরস্থানের কাছ থেকে থেকে তাকে আটক করা হয়। সে ঐ গ্রামের লিয়াকত কামারের ছেলে। মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী
কামাল হোসেন জানান, আনন্দবাস গ্রামের কবরস্থানের কাছে এক মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিল বেচাকেনা করছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে কামারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৮ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তার নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাসহ আদালতে সোপর্দ সোপর্দ করা হয়।
মুজিবনগর সরকারী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত ছাত্রলীগ নেতাদের স্মৃতিসৌধে পুস্পার্ঘ অর্পণ।
মুজিবনগর সরকারী ডিগ্রী কলেজের নবনির্বাচিত ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সভাপতি শেখ সাদী নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এ পুস্পমাল্য অর্পন করেন। এ সময় সহসভাপতি স্বপন গাজী, সাগর শেখ, সাধারন সম্পাদক তুষার ইমরান, যুগ্নসম্পাদক রহিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে কলেজ চত্ত্বরে আনন্দ র্যালী করেন কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
মুজিবনগরে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিউনিটি পুলিশিং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
সোহাগ মন্ডলঃ মুজিবনগর উপজেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে মুজিবনগর থানার সম্মেলন কক্ষে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী কামাল হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আনিছুরর রহমান। বক্তব্য রাখেন মুজিবনর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আমাম হোসেন মিলু,
বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান আয়ূব হোসেন, সাবেক বাগোয়ান ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক কুতুব উদ্দীন মল্লিক
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজেদ আলী, মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সম্পাদক শেখ সফি, নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য আজিমুল বারী মুকুল, মোনাখালী ইউপি আ‘লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফা, বাগোয়ান ইউপি আ‘লীগের
সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বাগোয়ান ইউপি যুবলীগের যুগ্নআহবায়ক বাবুল মল্লিক প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন এস.আই মতিউর রহমান।
মেহেরপুরের মুজিবনগরে ছাত্রলীগের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।
†g‡nicy‡i
cvwjZ n‡”Q QvÎ jx‡Mi 69 Zg cÖwZôv evwl©Kx| MZKvj eyaevi mKvj mv‡o 10 Uvi mgq
gywRebMi ch©Ub †gv‡Uj Pˇi †KK ‡K‡U
cÖwZôv evwl©Kxi Kg©m~Pxi D‡Øvab K‡ib †g‡nicyi †Rjv QvÎ jx‡Mi mfvcwZ evwiKzj
Bmjvg wjRb|
c‡i gywRebMi †kL nvwmbv g‡Â Av‡jvPbv mfvq e³e¨
iv‡Lb †g‡nicyi †Rjv QvÎ jx‡Mi mvaviY m¤úv`K Ry‡qj ivbv, †g‡nicyi kni QvÎ jx‡Mi
mfvcwZ Avwid †kL, mvaviY m¤úv`K gvK‡m`yj Avn‡¤§` wg‡_b, †g‡nicyi miKvix K‡jR
QvÎ jx‡Mi mfvcwZ Kz`iZ-B †Lv`v iæ‡ej, mvaviY m¤úv`K gvmy` ivbv, Mvsbx Dc‡Rjv
QvÎ jx‡Mi mfvcwZ †ZŠwn`yj Bmjvg, mvaviY m¤úv`K wecøe †nv‡mb, m`i _vbv QvÎ jx‡Mi
mvaviY m¤úv`K ivRb Avn‡¤§`, gywRebMi Dc‡Rjv QvÎ jx‡Mi mfvcwZ †ivKby¾vgvb †ivKb,
mvaviY m¤úv`K †njvj DÏxb jvejy, gywRebMi miKvwi wWMÖx K‡jR QvÎ jx‡Mi mfvcwZ ‡kL
mv`x, mvaviY m¤úv`K mvMi †kLmn QvÎ jx‡Mi †bZv-Kg©xiv|
বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৭
মুজিবনগরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মামুনের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ওমর ফারুক ওরফে মামুনের ‘আইকন আইসিটি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার’ নামের প্রশিক্ষণ সেন্টারের যাত্রা শুরু হলো।
মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ সেন্টারের উদ্বোধন করেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হেমায়েত উদ্দিন।
শিবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, মোনাখালী ও দারিয়াপুর ইউনিয়ন থেকে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আজিমুল বারী মুকুল, মুজিবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজারুল ইসলাম, শিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আসলাম হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও প্রশিক্ষন সেন্টারের পরিচালক ওমর ফারুক মামুন।
উদ্বোধনী কোর্সে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই ট্রেনিং সেন্টারে ৩০ জন প্রশিক্ষনার্থী ৬ মাসের বেসিক কম্পিউটার কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন, মামুন মুজিবনগর উপজেলার গর্ব। তার কর্মকান্ডে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও মামুন নিজে প্রশিক্ষক হয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষন সেন্টারের উদ্যোগ নিয়েছেন। তার উদ্যোগ আমাদের সবার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামুনকে সকল সহযোগীতা করা হবে।
শিক্ষার্থী বিপাসা খাতুন বলেন, কম্পিউটারের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। কয়েকদিন আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে মামুন ভাইয়ের একটি প্রতিবেদন দেখে কম্পিউটার শেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তারপর মামুন ভাইয়ের সাখে কথা বললে মনে হয় না সে একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।
অপর শিক্ষার্থী রাবেয়া খাতুন বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মামুন ভাই খুব ভালো কম্পিউটার শেখান। তিনি অন্ধ হয়ে কিভাবে কম্পিউটার শেখান সে আগ্রহেই এখানে ভর্তি হয়েছি।
মামুনের চাচা আসলাম হোসেন বলেন, মামুন যখন মায়ের গর্ভে তখন কলকাতায় একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় তার বাবা মারা যান। জন্মের পর থেকে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে লালন করে বড় করে তুলেছি। ছোটবেলাই থেকে সে অত্যান্ত মেধাবী ছিল। এসএসসি পরীক্ষার পর তার চোখের গ্লুকমা রোগ আক্রান্ত হয়ে সে অন্ধ হয়ে যায়। তারপরও সে বসে থাকেনি। নিজের চেষ্টাতেই কম্পিউটার প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেকে প্রশিক্ষক হিসেবে তৈরি করেছে। সে যেন আরো ভালো কিছু করতে পারে তার সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে প্রাক্তন শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মামুন যখন প্রাইমারিতে পড়ত তখন বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের অর্থ জানতে চাইত। তার জন্য নিজেকেও অনেক ইংরেজি শব্দের অর্থ জানতে হত। তখন থেকে একটি ডিকশনারী কাছে রাখতাম। সেই মামুন এসএসসি পরীক্ষার পর অন্ধ হয়ে গেলো শুনে খুব কষ্ঠ পেয়েছিলাম। পরে যখন শুনি সে সমাজ সেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক হয়ে ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষন দিচ্ছে বুকটা আনন্দে ভরে উঠেছিল। বয়স হয়েছে তারপরও তার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন হচ্ছে শুনে চলে এসেছি।
দৃষ্টিপ্রতিন্ধী মামুন বলেন, আমি মেহেরপুর শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছি। মাঝেই মাঝেই আমার মনে হত মুজিবনগর এলাকার দরিদ্র ছেলে মেয়েরা মেহেরপুর শহরে গিয়ে ৬মাস ব্যাপী প্রশিক্ষন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের সুবিধার্থে মুজিবনগরে এই প্রশিক্ষন কেন্দ্রের যাত্রা শুরু করা হলো।
মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাজারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ সেন্টারের উদ্বোধন করেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হেমায়েত উদ্দিন।
শিবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, মোনাখালী ও দারিয়াপুর ইউনিয়ন থেকে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আজিমুল বারী মুকুল, মুজিবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজারুল ইসলাম, শিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আসলাম হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও প্রশিক্ষন সেন্টারের পরিচালক ওমর ফারুক মামুন।
উদ্বোধনী কোর্সে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই ট্রেনিং সেন্টারে ৩০ জন প্রশিক্ষনার্থী ৬ মাসের বেসিক কম্পিউটার কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন, মামুন মুজিবনগর উপজেলার গর্ব। তার কর্মকান্ডে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও মামুন নিজে প্রশিক্ষক হয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষন সেন্টারের উদ্যোগ নিয়েছেন। তার উদ্যোগ আমাদের সবার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামুনকে সকল সহযোগীতা করা হবে।
শিক্ষার্থী বিপাসা খাতুন বলেন, কম্পিউটারের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। কয়েকদিন আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে মামুন ভাইয়ের একটি প্রতিবেদন দেখে কম্পিউটার শেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তারপর মামুন ভাইয়ের সাখে কথা বললে মনে হয় না সে একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।
অপর শিক্ষার্থী রাবেয়া খাতুন বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মামুন ভাই খুব ভালো কম্পিউটার শেখান। তিনি অন্ধ হয়ে কিভাবে কম্পিউটার শেখান সে আগ্রহেই এখানে ভর্তি হয়েছি।
মামুনের চাচা আসলাম হোসেন বলেন, মামুন যখন মায়ের গর্ভে তখন কলকাতায় একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় তার বাবা মারা যান। জন্মের পর থেকে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে লালন করে বড় করে তুলেছি। ছোটবেলাই থেকে সে অত্যান্ত মেধাবী ছিল। এসএসসি পরীক্ষার পর তার চোখের গ্লুকমা রোগ আক্রান্ত হয়ে সে অন্ধ হয়ে যায়। তারপরও সে বসে থাকেনি। নিজের চেষ্টাতেই কম্পিউটার প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেকে প্রশিক্ষক হিসেবে তৈরি করেছে। সে যেন আরো ভালো কিছু করতে পারে তার সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে প্রাক্তন শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মামুন যখন প্রাইমারিতে পড়ত তখন বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের অর্থ জানতে চাইত। তার জন্য নিজেকেও অনেক ইংরেজি শব্দের অর্থ জানতে হত। তখন থেকে একটি ডিকশনারী কাছে রাখতাম। সেই মামুন এসএসসি পরীক্ষার পর অন্ধ হয়ে গেলো শুনে খুব কষ্ঠ পেয়েছিলাম। পরে যখন শুনি সে সমাজ সেবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক হয়ে ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষন দিচ্ছে বুকটা আনন্দে ভরে উঠেছিল। বয়স হয়েছে তারপরও তার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন হচ্ছে শুনে চলে এসেছি।
দৃষ্টিপ্রতিন্ধী মামুন বলেন, আমি মেহেরপুর শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছি। মাঝেই মাঝেই আমার মনে হত মুজিবনগর এলাকার দরিদ্র ছেলে মেয়েরা মেহেরপুর শহরে গিয়ে ৬মাস ব্যাপী প্রশিক্ষন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের সুবিধার্থে মুজিবনগরে এই প্রশিক্ষন কেন্দ্রের যাত্রা শুরু করা হলো।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)







