বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতারণ।
মুজিবনগরে মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতারন করা হয়েছে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় মোনাখালী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এর আয়াজনে মোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহাফুজুর রহমান রিটন, বিশেষ অতিথি মুজিবনগর থানা ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান চাঁদু ও জেলা সদস্য মাহাবুব হাসান ডালিম। বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম, দুল্লপ হোসেন, মফিজুর রহমান প্রমুখ। শেষে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন মোনাখালী একাদশকে ১টি বড় ছাগল ও রানার্সআপ রাধাকান্ত একাদশকে
১টি ছোট ছাগল পুরস্কার প্রদান করেন। শেষে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক পরিচালনা করেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে পরিচালক আব্দুল খালেক ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন।
১টি ছোট ছাগল পুরস্কার প্রদান করেন। শেষে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক পরিচালনা করেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে পরিচালক আব্দুল খালেক ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি’র পুস্পমাল্য অর্পন।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল ইসলাম খান নিখিল
ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পন করেছেন। গতকাল রবিবার
দুপুরে তিনি মেহেরপুর জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মুবিজনগর
স্মৃতিসৌধে পুস্মপাল্য অর্পন করেন। এসময় জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাহাফুজুর
রহমার রিটন, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, সদস্য মাহাবুব হাসান
ডালিম, মালেক হোসেন মোহন, মুজিবনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান
চাদুসহ জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে
উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত ছিলেন।
মুজিবনগর খ্রিস্টান পল্লীতে বড়দিন উদযাপন।
ঈশ্বরের দয়া প্রর্থণা ও সন্ত্রাস মুক্ত দেশ গড়ার জন্য গীর্জায় গীর্জায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা আর নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মুজিবনগর পালিত হয়েছে খৃষ্টীয় সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন। আজ প্রথম প্রহরে উপজেলার ভবরপাড়া, বল্লভপুর, রতনপুর, তারানগর,নাজিরকোনা ও জয়পুরসহ বিভিন্ন গির্জায় প্রার্থনা করা হয়েছে।
প্রার্থনায় বিশ্ব শান্তি কামনা করেছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়। বাড়ী ও রাস্তা
আলোক মনোরম সাজে সজ্জিত করা হয়েছিল গির্জাগুলো। ধর্মীয় আচার রীতি পালনের
পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসবে মেতে উঠেছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বড় দিন উপলক্ষে গতকাল থেকে মুজিনগরের ভবর পাড়া ও বল্লভপুর শুরু হয়েছে সপ্তাহ ব্যাপি মেলা।
শুভ বড়দিন উপলক্ষে মুজিবনগরে আনন্দ মেলার উদ্বোধন।
eow`b Dcj‡¶ gywRebM‡i Lªxwóq Avb›` ‡gjv D‡Øvab
gywRebMi cÖwZwbwa(26-12-16)t eow`b Dcj‡¶ gkvj †R¡‡j gywRebM‡ii ejøecyi ¯‹zjgv‡V 6 w`be¨vcx Lªxwóq Avb›` ‡gjvi D‡Øvab Kiv n‡q‡Q| MZKvj ‡mvgevi
`ycy‡i ‡g‡nicyi-1 Avm‡bi msm` m`m¨ I ‡Rjv AvIqvgxjx‡Mi mfvcwZ dinv` ‡nv‡mb
cÖavb AwZw_ wn‡m‡e Dcw¯’Z †_‡K G ‡gjvi D‡Øvab K‡ib|
ejøecyi wWbvi Wxb MxRv©i cÖavb cy‡ivwn` ‡ifv wewjqg mi`v‡ii mfvcwZ‡Z¡ Abyôv‡b we‡kl AwZw_ wnmv‡e Dcw¯’Z
wQ‡jb ev‡Mvqvb BDwc ‡Pqvig¨vb Avq~&e ‡nv‡mb, gywRebMi _vbvi Gm AvB Bqvwgb
Avjx, ev‡Mvqvb BDwbqb AvIqvgxjx‡Mi mvavib m¤úv`K bRiæj Bmjvg, Pv‡P©I K¨v‡UwLó
wg.mgi wek¦vm, cvjK wg. †WfxWivq, ev‡Mvqvb BDwc m`m¨ ksKi wek¦vm c«gyL|
D‡Øvabx Abyôv‡b mvs¯‹…wZ‡Ki Av‡qvRb Kiv nq| ‡`kvZ¡‡evaK Mv‡b †g‡qiv
b…Z¨ cwi‡ekb K‡ib| Abyôvb †k‡l msm` m`m¨ ejøecy‡i e„×v AvkÖg I nvmcvZvj Ny‡i
Ny‡i cwi`k©b K‡ib| Gi Av‡M Abyôv‡bi ïi‡Z
RvZxq msMx‡Zi my‡i my‡i RvZxq cZvKv †Zvjv nq Ges AwZw_‡`i dyj w`‡q eib K‡i
‡bIqv nq|
Abyôv‡bi mvwe©K mÂvjbvq wQ‡jb Kzwóqv Wv‡qvwmm cÖMÖvg mgš^qKix ‡K¬v‡g›U
Aiæb gÛj
রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
বড়দিন : দয়ার বছরকে আগমন জানাতে প্রস্তুত খ্রীস্টিয় ধর্মাবলম্বীরা
আজ ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন। খ্রীষ্টিয় ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। দিনটিকে ঘিরে গীর্জাগুলোকে সাজানো হচ্ছে নানা উপকরণ দিয়ে। ঈশ্বরের দয়া প্রর্থণা ও সন্ত্রাস মুক্ত দেশ গড়ার জন্য গীর্জায় গীর্জায় প্রার্থণা করবেন তারা। মেহেরপুরে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে দিনটিকে উদ্যাপন করবেন বলে মনে করছেন পুরোহিতরা। ২৫ ডিসেম্বর গরিবের গোয়াল ঘরে মা মরিয়মের গর্ভে জন্ম নেয় ঈশা মসিহ। তাঁর আগমনের এ দিনটি নানা উৎসবের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকেন খ্রিষ্টীয় ধর্মাবলম্বীরা। মেহেরপুরের মুজিবনগর ও গাংনীর বিভিন্ন খ্রীষ্টান পল্লীতে ১ডিসেম্বর থেকে তোলা হয়েছে তারা ও বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে গোশালা। রাস্তায় রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে তোরন। এছাড়াও যুবক যুবতিরা কীর্তনের মধ্য দিয়ে খ্রীষ্টের বাণী সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। ২৫ ডিসেম্বর রাত থেকে গির্জায় গির্জায় প্রার্থণার মাধ্যমে বড় দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এছাড়াও আগামী বছরিেটকে দয়ার বছর হিসেবে ঘোষণা করেছেন পোপ। সেই লক্ষে ইশ্বরের কাছে দয়া প্রার্থনা ও সুখি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষে ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবেন তারা। এছাড়াও আলোচনা করা হবে আধ্যাতিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর। দিনটিকে ঘিরে খ্রীষ্টীয় ধর্মাবলম্বীরা গির্জায় গির্জায় প্রার্থণাসহ বিভিন্ন স্থানে নির্মিত গোশালাগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রার্থণা করবেন। বিগত দিনের সকল ভেদাভেদ ভূলে একে
অপরের সাথে মিশে তৈরি করবেন ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধন। সবাই আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন বলে জানালেন দিপক মন্ডল। লিজা সরকার বলেন, উৎসব উপলক্ষে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা করা, সকলে মিলে মেলায় বেড়াতে যাওয়াসহ আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন তারা। ইম্মানুয়েল ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ডোমেনিক জানান, আগামী বছরটি পোপ দয়ার বছর হিসেবে ঘোষণা করছেন। ইশ্বরের দয়া প্রাপ্তির জন্য প্রার্থণা করবেন তারা। রাত ১২ টা থেকে ইশ্বরের কাছে প্রার্থণার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের কার্যক্রম। এছাড়াও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা হবে। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, বড়দিনকে ঘিরে খ্রীস্টিয়ধর্মীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। সার্বক্ষনিত তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সাদা পোশাকেও পুলিশ কাজ করবে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
অপরের সাথে মিশে তৈরি করবেন ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধন। সবাই আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন বলে জানালেন দিপক মন্ডল। লিজা সরকার বলেন, উৎসব উপলক্ষে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা করা, সকলে মিলে মেলায় বেড়াতে যাওয়াসহ আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিনটি পার করবেন তারা। ইম্মানুয়েল ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ডোমেনিক জানান, আগামী বছরটি পোপ দয়ার বছর হিসেবে ঘোষণা করছেন। ইশ্বরের দয়া প্রাপ্তির জন্য প্রার্থণা করবেন তারা। রাত ১২ টা থেকে ইশ্বরের কাছে প্রার্থণার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের কার্যক্রম। এছাড়াও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা হবে। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, বড়দিনকে ঘিরে খ্রীস্টিয়ধর্মীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। সার্বক্ষনিত তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সাদা পোশাকেও পুলিশ কাজ করবে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬
মেহেরপুর জেলা পরিষদে নির্বাচিত হলে জীবনের সবটুকু সময় জনগনের সেবা করে যাব::,, জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস
রেজাউল করিম রেজাঃ ১৯৭১ সালে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানীত
হয়ে এবং তারই আহব্বানে মহান মুক্তিযুেদ্ধ
পাকানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ
করে দেশ স্বাধীন করেছি। তার পর যতটুকু সময়
পেয়েছি সাধারন মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন
ভাবে সেবা করে চলেছি। দেশের জন্য ও দেশের
মানুষের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি তা মুল্যায়নের
সময় এসেছে। জেলা বাসীর দোয়া আর পুর্নাঙ্গ
সমর্থন নিয়ে মেহেরপুর জেলা পরিষদের
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করছি।
বিচারের দায়ভার জনগনের বিবেকের কাছে ছেড়ে
দিলাম। সুযোগ দিলে মেহেরপুর জেলাকে একটি
আত্মনির্ভরশীল ও মডেল জেলা হিসাবে গড়ে
তুলবো। এবং এ উন্নয়ন অব্যহত রাখবো। আপনাদের
ভোট বুঝে-শুনে দেবেন। আমি শুধু ভোটের জন্য নয়,
এলাকার সন্তান হিসাবে আপনাদের সামনে হাজির
হয়েছি।
মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
ও মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় কালে মেহেরপুর
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও
বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস এসব কথা
বলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস
গ্রামের মৃত-আকছেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি
বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বারের নির্বাচিত
চেয়ারম্যান।
২০০৩ সাল থেকে অদ্যবধি মুজিবনগর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে তিনি দাায়িত্ব
পালন করে আসছেন। আসন্ন ২৮ ডিসেম্বর মেহেরপুর
জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি
তার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে চশমা মার্কা
প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন।
প্রতিনিয়ত জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে
ভোটারদের সাথে মত বিনিময় করছেন এবং দোয়া
চাইছেন। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
হিসাবে নির্বাচিত হলে মেহেরপুরে উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানীত
হয়ে এবং তারই আহব্বানে মহান মুক্তিযুেদ্ধ
পাকানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ
করে দেশ স্বাধীন করেছি। তার পর যতটুকু সময়
পেয়েছি সাধারন মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন
ভাবে সেবা করে চলেছি। দেশের জন্য ও দেশের
মানুষের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি তা মুল্যায়নের
সময় এসেছে। জেলা বাসীর দোয়া আর পুর্নাঙ্গ
সমর্থন নিয়ে মেহেরপুর জেলা পরিষদের
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করছি।
বিচারের দায়ভার জনগনের বিবেকের কাছে ছেড়ে
দিলাম। সুযোগ দিলে মেহেরপুর জেলাকে একটি
আত্মনির্ভরশীল ও মডেল জেলা হিসাবে গড়ে
তুলবো। এবং এ উন্নয়ন অব্যহত রাখবো। আপনাদের
ভোট বুঝে-শুনে দেবেন। আমি শুধু ভোটের জন্য নয়,
এলাকার সন্তান হিসাবে আপনাদের সামনে হাজির
হয়েছি।
মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
ও মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় কালে মেহেরপুর
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও
বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস এসব কথা
বলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস
গ্রামের মৃত-আকছেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি
বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বারের নির্বাচিত
চেয়ারম্যান।
২০০৩ সাল থেকে অদ্যবধি মুজিবনগর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে তিনি দাায়িত্ব
পালন করে আসছেন। আসন্ন ২৮ ডিসেম্বর মেহেরপুর
জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি
তার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে চশমা মার্কা
প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন।
প্রতিনিয়ত জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে
ভোটারদের সাথে মত বিনিময় করছেন এবং দোয়া
চাইছেন। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
হিসাবে নির্বাচিত হলে মেহেরপুরে উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন ।
সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
মুজিবনগরে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত
মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজশুক্রবার মহান বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে সূর্য
উদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধনীর মাধ্যমে
দিবসের শুভ সূচনা হয়েছে। ৬.৩০ মিনিটে মুজিবনগর
স্মৃতিসৌধে পূষ্পমাল্য অর্পণ করেনে উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী অফিসার হেমায়েত
উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আব্দুল জলিল, মুজিবনগর থানা
ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামাল হোসেন, উপজেলা
আঃলীগের সভাপতি জিয়াউদ্দীন বিশ্বাসু, সাধারন সম্পাদক
ইউপি চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু, জাতীয় পটি
(জেপি) জেলা যুগ্নসম্পাদক মওলাদ আলী খাঁন, উপজেলা
যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান চাদু, ছাত্রলীগের
সভাপতি রেকোনুজ্জামান রোকন, সাধারন সম্পাদক হেলাল
উদ্দীন, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের সভাপতি
মতিউর রহমান মতিন, কৃষকলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান টিটু,
সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্ডল, বাগোয়ান ইউপি
চেয়ারম্যান আয়ূব হোসেন,মোনাখালী ইউপি
চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান,দারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৈফিকুল
বারী বকুল, ৬নং ওয়ার্ড আঃলীগের সাধারন সম্পাদক মিঃ
সুজিত মন্ডল, প্রাক্তন সৈনিক সংস্থা, মুজিবনগর সরকারী শিশু
পরিবার। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুষ্পার্ঘ অর্পন করা হয়।
৮.৩০ টায় উপজেলা মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা
যৌথ ভাবে উত্তোলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার
হেমায়েত উদ্দীন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত কাজী কামাল
হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ জলিল।
কুচকাওয়াজে অংশ গ্রহণ করেন পুলিশ, বি এন সি সি, আনসার
ও ভিডিপি, বাংলাদেশ স্কাউট, রোভার স্কাউট, কাব গালস্ গাইড।
স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা ডিসপ্লে¬ প্রদর্শন
করে। স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা ডিসপ্লে¬
প্রদর্শন করে। ১২টায় বীর মুক্তিযুদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধা
ও শহীদ মুক্তিযুদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
হয়। সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার
হেমায়েত উদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা
চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধা
কমান্ডার আব্দুল জলিল, ওসি কাজী কামাল হোসেন,
জেলা আ‘লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান
আয়ুব হোসেন। ২টায় সাংস্কৃতি ও পুরষ্কার বিতরণী
অনুষ্ঠিত হয়। ৩টায় সুধী জন বনাম সরকারী
কর্মচারীদের মধ্যে সৌখিন ফুটবল প্রতিযোগীতা
অনুষ্ঠিত হয়।




+2
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)










